
সুরাইয়া আক্তার ইশিতা, নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ৯ নম্বর চাঁদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক আনন্দঘন প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, আলোচনা সভা ও নৈশভোজ। স্থানীয় যুব সংগঠন “চক্কাওয়ালী-কানুয়ারডাঙ্গা যুব সংঘ” এর আয়োজনে শনিবার (৩০ মে ২০২৬) ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকেল ৪টায় চক্কাওয়ালী চারা বটতলা মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাঠটি আল-আমিন ইংলিশ ব্যাচের পেছনে অবস্থিত।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. বখতিয়ার রহমান। সঞ্চালনা করেন আল-আমিন ইংলিশ ব্যাচের প্রধান মো. আল-আমিন এবং সার্বিক পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন মো. আহাদ হোসেন।
প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় পাঁচটি জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক ডা. মো. নাজমুল আহসান। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনসিপির পাইকগাছা উপজেলা সংগঠক, পাইকগাছা উপজেলার ইনসাফ মঞ্চের মুখ্যপাত্র ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. শাকিল হাফিজ (সম্রাট), যুবদল নেতা ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জনদরদী মোঃ নাজমুল হুদা (মিন্টু), চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান, বর্তমান ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. কাইয়ুম, বকুল সরদার, সোবহান সরদার, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী মো. মাহবুব, কোমল জিয়া, ফিরোজ সরদার, আব্দুর রাজ্জাক (হলু), রনি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা যুবসমাজকে মাদক, জুয়া ও বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রীতি ফুটবল ম্যাচটির সার্বিক অর্থায়ন ও সহযোগিতা করেন তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী মো. শামীম রেজা। খেলায় অংশগ্রহণ করেন ইদ্রিস আলী, ফসিয়ার, কবির, মনিরুল, ফরহাদ, বাচা, মিজানুর, শামসুর, শামীম, ইসলাম, ময়নুর ইসলাম (মনু),তৌহিদুরসহ এলাকার অসংখ্য মুরুব্বি খেলোয়াড়।
খেলা শেষে বিজয়ী দলের হাতে জোড়া খাসি এবং রানার্স-আপ দলের হাতে একটি খাসি পুরস্কার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া “ম্যান অব দ্য ম্যাচ” নির্বাচিত বাচার হাতে আকর্ষণীয় মগ ও মেডেল এবং প্রথম গোলদাতা শামীমের হাতে মগ ও মেডেল প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও খেলোয়াড়দের মাঝেও স্মারক মেডেল বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠান সফল করতে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আসিফ, নাজমুল, উজ্জ্বল, সৈকত, রাজু, সোহেল, সোহাগ, নাঈম, সেলিম, রোহান, বোরহান, তাজ, সম্রাটসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানে উৎসবের আমেজ বাড়াতে ব্যান্ড পার্টিরও আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে তিনটি খাসি জবাই করে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের সম্মানে এক বৃহৎ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
আয়োজকরা জানান, যুবসমাজকে মাদক ও জুয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা ও সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অতিথিরা এ ধরনের ব্যতিক্রমী আয়োজনের জন্য মো. শামীম রেজার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এমন সামাজিক ও ক্রীড়ামূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।