
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ প্রতিনিধি,কুষ্টিয়া।
কুষ্টিয়া জেলা, কুমারখালী উপজেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা, এই উপজেলাতে বিভিন্ন মনীষীর জন্ম, এই উপজেলাটি শিল্প এলাকা তাঁত শিল্পের জন্য বিখ্যাত, উপজেলাতে সাধক লালন শাহের মাজার, বিশ্বকবি রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ি, রাজনীতিবিদ বাঘা যতীনের জন্ম এই উপজেলাতে, বাংলাদেশের প্রথম সাংবাদিক কাঙ্গাল হরিনাথের জন্ম এই উপজেলাতে, কাঙ্গাল হরিনাথের জাদুঘর রয়েছে এই উপজেলাতে সাহিত্যিক মীর মোশাররফ হোসেনের জন্ম এই উপজেলাতে, সর্বোপরি এই কুমারখালী উপজেলাটি একটি ঐতিহ্যবাহী উপজেলা। এই উপজেলা থেকে প্রতিদিন লুঙ্গি, বেড কভার, চাদর, জায়নাবাজ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল সহ দেশের বাইরেও পাঠানো হয়। দেশের বাইরে থেকেও অনেক পর্যটক, লালন শাহের মাজার, শিলাইদহ কুঠিবাড়ি মীর মাশারফ হোসেনের বাস্তভিটা,পরিদর্শন এর জন্য এই উপজেলাতে অবস্থান করেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো এই কুমারখালীর রেল স্টেশনে কোন দ্রুতগামী ট্রেন থামেনা। এই দ্রুতগামী ট্রেন স্টপেজের জন্য কুমারখালীর জনগণ আন্দোলন করছে। এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন গণধিকার পরিষদের নেতা তিয়াস,কুমারখালীর প্রেসক্লাবের সভাপতি লিপু খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মাহমুদ, তানভীর লিটন, আব্দুর রাজ্জাক নয়ন আহমেদ, মনোয়ার, সাংবাদিক সহ, আরো অনেক সাংবাদিক সহযোগিতা করেছেন, ইতিপূর্বেও অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করা হয়েছে অথচ তার রেজাল্ট জিরো, এইটা কুমারখালী বাসির প্রাণের দাবি, কোন আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত আমরা আমরা স্টেশন চত্ত্বর ছেড়ে যাবো না, ট্রেন কর্মকর্তা মহোদয় ২৭ শে জুনের মধ্যে একটা ব্যবস্থা হবে সেই সে আস্বাসেআন্দোলন স্থগিত করেন কুমারখালী বাসী। আন্দোলনকারিরা
আরো বলেন কোন ব্যবস্থা না হইলে ২৭ জুনের পরে আবারও স্টেশনে অবস্থান করবে কুমারখালীর জনগণ।