
গাজী আব্দুল আলীম, নিজস্ব প্রতিবেদক:
বৃহত্তর খুলনা বিভাগের অন্তর্গত খুলনা জেলা শহরে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।নগরীর সাধারণ মানুষ এখন ভয় ও উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।খুন, জখম,গুম,হত্যা,অপহরণ,চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ এবং দুর্নীতির ঘটনা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় জনজীবনে অস্থিরতা বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ,নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে অপরাধ চক্রের তৎপরতা কিছুটা স্তিমিত থাকলেও সম্প্রতি তা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো সহিংস ঘটনার খবর শোনা যাচ্ছে। ফলে নগরবাসী একদিনও স্বস্তিতে থাকতে পারছেন না।
রাজনৈতিক আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে বৈরী না থাকলেও জনজীবনে কেন এমন অস্থিরতা বিরাজ করছে—এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও জানতে আগ্রহী,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই ক্রমাবনতির পেছনে আসল কারণ কী?প্রশাসনের চোখের সামনে কোনো নতুন অপরাধ সিন্ডিকেট গড়ে উঠছে কি না,তা নিয়েও আলোচনা চলছে।
অনেকের মতে,শহর ও শহরতলীর বাইরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অপরাধ চক্রের সদস্যরা এসে অপরাধ সংঘটিত করে গা ঢাকা দিচ্ছে।তারা কারা,কতজন,এবং কোনো রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না—তা দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।কারণ,অপরাধ দমনে“অসম্ভব”বলে কিছু নেই—প্রয়োজন শুধু দৃঢ় সদিচ্ছা ও কার্যকর পদক্ষেপ।
সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা,প্রশাসন দ্রুত কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করবে।অপরাধীদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। এখনই সময় অপরাধ চক্রের শিকড় উপড়ে ফেলার, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গড়ে উঠতে না পারে।
খুলনাবাসীর একটাই দাবি—নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ নগর জীবন।আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নয়নই পারে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে।ভালো থাকুক খুলনার জনগণ,নিরাপদ হোক নগর জীবন।