মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।
বিশেষ প্রতিনিধি, কুষ্টিয়া।
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতায় প্রতিটা ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার এআই টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া আছে। এই টেকনিশিয়ানগন গবাদি প্রাণীর প্রাথমিক সেবা ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের জাত উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে বিনা বেতনে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে আসছে। কোটি কোটি টাকা এই টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হচ্ছে। কিন্তু বিভিন্ন সিন্ডিকেটের কারণে তেল সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ লাইন ধরে দুই তিন ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর মাত্র ২০০ টাকার তেল বা ফুয়েল পাওয়া যায়। অনেক সময় দেখা যায় লাইনের মাঝামাঝি আসাতে না আসতেই তেলপাম্প থেকে ঘোষণা দেয়া হয় তেল বা ফুয়েল শেষ হয়ে গেছে। এমতাবস্থায় প্রাণি সেবা বা কৃত্রিম প্রজনন কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না ফলে বরাদ্দকৃত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হচ্ছে না। রাষ্ট্রীয় কোষাগারে টাকা জমা হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এআইটেকনিশয়ানদের প্রত্যাশা কুষ্টিয়া প্রায় ৮০ জন সহ সারা বাংলাদেশের সরকারি টেকনিশিয়ানদের জন্য লাইন বহির্ভূত রাষ্ট্রীয় কাজের স্বার্থে ন্যূনতম কিছু তেলের ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। এ ব্যাপারে কুমারখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।