
গত বুধবার সকালে উপজেলা, পৌর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠন পৌর যুবদলের আয়োজনে হল-বাজারস্থ বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । প্রসঙ্গত, গত ২২শে ডিসেম্বর খোকসা-কুমারখালী বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দের আয়োজনে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বিএনপির কার্যালয়ে কুষ্টিয়া-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রাথী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর বিপক্ষে কতিপয় নেতার ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী, কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, খোকসা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন খান সহ তাদের সমর্থীতদের সু-পরিকল্পনায় ধানের শীষের প্রাথীকে পরাজিত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয় । সে-সময় বক্তারা তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক তদন্ত সম্পন্ন করে দল থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান । এসব দাবির পরিপেক্ষিতে আজ সংবাদ সম্মেলন করা হয় । সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন । তিনি বলেন, কুমারখালী উপজেলার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে ছিলেন তরিকুল ইসলাম লিপন, অ্যাডভোকেট শাতিল মাহমুদ ও আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু । ওই কমিটিতে বর্তমান উপজেলা ও পৌর বিএনপির কোনো নেতৃবৃন্দকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি । এমনকি পোলিং এজেন্ট নিয়োগের ক্ষেত্রেও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়নি । নির্বাচন পরিচালনায় সমন্বয়হীনতা ও সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই কাঙ্ক্ষিত ফল আসেনি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট পরিচালনা কমিটিকে দায় নিতে হবে। তাছাড়া, প্রার্থীর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, তৃণমূল নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন, অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা এবং সাংগঠনিক সমন্বয়ের অভাব পরাজয়ের অন্যতম কারণ বলে মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে খোকসা-কুমারখালীর বহু নেতাকর্মী মামলা, হামলা ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন। পৃথক সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা যুবদলের নেতারা বলেন, ২২শে ফেব্রুয়ারির সংবাদ সম্মেলনে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা অসত্য, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক । যুবদলের নেতাকর্মীরা নির্বাচনে ধানের শীষে প্রচার প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন । নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে তাদের কোন নেতাবৃন্দরা ছিলেন না যার জন্য এই দায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির । এসময় নুরুল ইসলাম আনছার প্রামানিকের পরিবারের সকল সদস্যরা বাড়ি বাড়ি ভোট প্রার্থনা করেছেন বলে দাবি করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম আনছার,সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল উদ্দিন বাবু,যুবদল নেতা জাকারিয়া আনছার মিলনসহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।