সংবাদ প্রতিবাদ ও সত্য ঘটনা প্রকাশ, সম্প্রতি আজকের বসুন্ধরা ও খবরের সময় সহ সংবাদ প্রকাশিত সম্পূর্ণ মিথ্যা শীর্ষক বানোয়াট।
মোঃ রেজাউল করিম
নিজস্ব সংবাদদাতা
৩/১১/২৪ আজকের বসুন্ধরা ও খবরের সময় সহ বিভিন্ন পত্রিকায় "লোভনীয় আশ্বাস দিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতরনার অভিযোগ শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে।
সেই সংবাদ সম্পুর্ন মিথ্যা, শীর্ষক বানোয়াট।
আমি মোঃএরশাদ হোসেন প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।এবং সেই সাথে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায় ও সঠিক বিচারের দাবি জানাচ্ছি এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করছি ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য। নিন্মে বিস্তারিত বর্ননা করা হলো- গাজীপুর মহানগর এর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের ৩৭নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর জুয়েল মন্ডল এর অত্যাচারে এরশাদ পরিবার গৃহহীন হয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছে
ছাত্র লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, গাছা থানার যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী, সাবেক কাউন্সিলর, রাশেদুজ্জামান জুয়েল মন্ডল, ৩৭ নং ওয়ার্ড, গাজীপুর সিটি করপোরেশন,
ভুক্তভোগি রিনা আক্তার,
স্বামী মোঃ এরশাদ হোসেন সহ তাহাদের পুরো পরিবার আজ বাড়ি ঘর ভিটেমাটি ছাড়া,
রিনা আক্তার ও তাহার স্বামী এরশাদ হোসেন বলেন
জুয়েল মন্ডল তাহাদের ভিটেমাটি বাড়ি ঘর জোর পূর্বক জিম্মি করে মেরে ফেলা ও মামলার হুমকি দিয়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে লিখে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে দখল নিয়ে তাহাদের কে বাড়ি থেকে বের করে দেয়, এমনকি
তাহাদের কে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন, রিনা আক্তার বলেন, আমার স্বামী এরশাদ সহ ও পরিবার এর মানষ গুলো প্রায় দীর্ঘ কয়েক বছর যাবৎ বাড়ি ছাড়া রয়েছেন, এমন কি এরশাদের মা গত ৪/৬/২৪ তারিখে খেয়ে না খেয়ে বুকভরা কষ্ট নিয়ে এতিম খানায় আশ্রয়ে থেকে, না ফেরার দেশে চলে যান,পরবর্তীতে এরশাদের বাবা ও এতিম খানায় আশ্রয়ে থেকে খেয়ে না খেয়ে বিনা চিকিৎসায় ১১/৮/২৪ তারিখে মৃত্যু বরন করেন। ওয়াটস এপস মেসেজের মাধ্যমে জুয়েল মন্ডল এর হুমকির কারনে এরশাদ হোসেনকে তাহার মা- বাবার লাশ ও দেখতে দেন নি, এমনকি জানাজায় ও শরিক হতে দেয় নি। অনেক অনুরোধ করেছেন ছেলে তার মা – বাবার জানাজায় অংশ নেওয়ার জন্য,
কিন্তু পারলো না মা- বাবার লাশ টাও দেখতে,,এবং জানাজায় শরিক হতে। বাড়ি ঘর জবর দখল ও লিখে নিয়ে যাওয়ার পর ও এরশাদের স্ত্রী রিনা আক্তার রক্ষা পায়নি জুয়েল মন্ডল এর হিংস্র থাবা থেকে,। জুয়েল মন্ডল কু নজর পরে এরশাদের স্ত্রীর উপর, যৌনহেনস্তার শিকার হয়। কয়েক দিন আটকিয়ে রেখে জুয়েল মন্ডল, এরশাদের স্ত্রী রিনা আক্তারকে কু প্রস্তাবে বলে তোমার ইজ্জতের বিনিময়ে বাড়ি ঘর সব কিছু ফিরিয়ে দিবো। এরশাদের স্ত্রী রাজি না হওয়ায়,তার উপর পাশবিক নির্যাতন চালায়, এক পর্যায়ে জুয়েল মন্ডল বলে এসব কথা কাউকে যদি বলো তাহলে তোমার সন্তানদের মেরে ফেলবো।পরিবারের সকলেই বিচারের আসায় দ্বীর্ঘকাল ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন জায়গায়
ও প্রশাসনের দরজায়, আওয়ামী সৈরশাসক এর আমলে কোথায় ও বিচার পায়নি। এই তো গত ১২ / ১০/২৪ তারিখে গাছা থানায় ২৫ জন কে আসামি করে একটা অভিযোগ দায়ের করেন রিনা আক্তার। যা কয়েকটি সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত পত্রিকায় ও এসেছে। কিন্তুু তারই আপন বড় ভাই আসাদুজ্জামান আসাদ আওয়ামী এজেন্ডার গাছা থানার বিএনপির সাবেক সভাপতি, এর দাপট ও প্রভাবের কারনে থানার ওসি সাহেব মামলা রুজু না করে দ্বীর্ঘ দিন রিনা আক্তারকে ওসি সাহেব এর সাথে কয়েক দিন দেখা করে ও ওসি সাহেব দেখতেছি বলে ঘুরাচ্ছে। থানা থেকে কোন রকম সহযোগিতা না পেয়ে, গাজীপুর পুলিশ কমিশনার ও জেলা প্রশাসক গাজীপুর বরাবর ও অভিযোগ করা হয়েছে যার অভিযোগের কপি ও প্রমাণস্বরূপ আমাদের কাছে বিদ্যমান রয়েছে। জুয়েল মন্ডল এর সকল সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা এখনো এর আপন বড় ভাই সাবেক গাছা থানার বিএনপি নেতা আসাদ এলাকায় জুয়েল মন্ডল এর যত অবৈধ ব্যবসা, ডিস, ইন্টারনেট,গার্মেন্টস এর জুট নামানো থেকে শুরু করে, পরের জমিতে জোর করে খামার করা সহ সকল কিছুই দেখা শোনা করে এই চাঁদাবাজ আসাদুজ্জামান আসাদ। এখন পর্যন্ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে জুয়েল মন্ডল সহ তার লোকজন ও জুয়েল মন্ডল এর আপন বড় ভাই আসাদুজ্জামান আসাদ। ছাত্র হত্যা মামলায় কারাভোগ করার পর ছাড়া পেয়ে জুয়েল মন্ডল এখন আত্মগোপনে আছে, তাদের ভয়ে এলাকার কেউ কোন কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। যে জুয়েল মন্ডল সহ ২৫ জন কে আসামি করা হয়েছে তারা প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে জুয়েল মন্ডল ও তার সহযোগী সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা। যখন বাড়ি ঘর অস্ত্রঠেকিয়ে এরশাদ ও এরশাদের বাবাকে জিম্মি করে লিখে নিয়ে যায় পরবর্তী তে এরশাদের সকল , কাগজ পত্র যেমন মেসার্স এরশাদ রাইচ এজেন্সি এন্ড ভ্যারাইটিজ স্টোর নামীয় ডাচ্ বাংলা ব্যাংকের সম্পুর্ণ পুরো একটি স্বাক্ষর কৃত চেক বই, জমির দলিল পত্র, চেকের এগেনেস্টে এরশাদ থানায় জিডি করে সেই জিডির কপি, একাডেমিক সার্টিফিকেট, হসপিটালের এক্সরে ও এক্সরে করানো রিপোর্ট, নগদ অর্থ, গহনা, এবং গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস জিম্মি করে অস্ত্র ঠেকিয়ে নিয়ে যায়। উল্টো হুমকিতে রেখেছে জোর পূর্বক চেকের এগেনেস্টে থানায় অভিযোগ দায়ের করে এবং মেরে ফেলা, ঘুম করা সহ প্রাণ নাশের হুমকিতে রেখেছে, তাছাড়া বিভিন্ন মামলা ও মিথ্যা ছাত্র হত্যা মামলা দিবে বলে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে যাতে আমরা কোন ধরনের অভিযোগ বা মামলা রুজু করতে না পারি। এখন পর্যন্ত কেউ তাদের আত্মনাতের কথা শুনছেন না। তাই কোন উপায় অন্তর না পেয়ে খুবই কঠিন এবং বিব্রতকর পরিস্থিতিতে দিশে হারা পরিবার,বর্তমান সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন, এবং প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছেন, বাড়ি ঘর ফার্নিচার পত্র, জোর পূর্বকভাবে স্বাক্ষর করানো স্বাক্ষর কৃত চেক বই, সার্টিফিকেট সহ সকল ডকুমেন্টস ফিরে পাওয়ার জন্য মানবিক সুদৃষ্টি ও সহযোগিতা এবং পরিবারের নিরাপত্তা কামনা করছি। প্রতিদিন সকাল ও বিকাল যে কোন সময় আমাদের মামলা রুজু করার জন্য আমরা থানায় গেলে কিছু সময়ের মধ্যে আসাদ তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হাজির হয়।আমি বা আমার পক্ষে কেউ ওসি বা তদন্ত অফিসার এর সাথে ঠিক মতো কথা বলার সুযোগ পাই না। এমন ভাবে বিচরন করে মনে হয় থানা ও থানার ওসি সহ সকল লোকজন সাবেক বিএনপি নেতা আসাদ এর কিনা নেওয়া। আসাদ ও জুয়েল মন্ডল এর সহযোগী সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।