সংবাদ প্রতিবাদ ও সত্য ঘটনা প্রকাশ
প্রকাশিত "লোভনীয় আশ্বাস দিয়ে অভিনব কায়দায় প্রতারণার অভিযোগ এরশাদের বিরুদ্ধে" শীর্ষক বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ।
মোঃ রেজাউল করিম
নিজস্ব সংবাদদাতা
সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশ ০৩/১১/২০২৪ ইং আজকের বসুন্ধরা
মাধ্যমে আমাকে (মোঃ এরশাদ হোসেন) জড়িয়ে লুৎফর রহমান, হাবিুর রহমান, এবং আমির হামজা রাশেদ দের বরাত দিয়ে যে প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং একটি গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। উক্ত মিথ্যা সংবাদের বিপরীতে প্রকৃত সত্য ঘটনা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর গ্রহণ: প্রকাশিত সংবাদে যথা ক্রমে ৪০ লক্ষ, ৬ লাখ ৫০ হাজার, এবং ২ লাখ, টাকার যে চেকের কথা বলা হয়েছে, এবং যার বিপরীতে থানায় অভিযোগ দিয়েছে সেটি আমি স্বেচ্ছায় দেইনি। বিগত ০১/০৬/২০২১ ইং তারিখে ১ নং আসামী রাশেদুজ্জামান জুয়েল মন্ডল ও তার সহযোগী লুৎফর রহমান,হাবিবুর রহমান আমির হামজা রাশেদ সহ অন্যান্যরা আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এবং শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আমার ডাচ বাংলা ব্যাংকের পুরো চেক বই নিয়ে নেয় এবং নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।
জুয়েল মন্ডল এর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম মমতাজ চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ এই প্রতিষ্ঠান হতে মিথ্যা কলংক রটায় ৭০ লাখ টাকা।
জুয়েল মন্ডল এর রড সিমেন্ট এর ব্যবসা ছিল, এই ব্যবসার এগেনেস্টে ও কলংক রটায় যেমন মোল্লা ট্রেডিং ৫ লাখ
ও মিজান স্টিল নামে ২ লাখ সিমেন্ট কোম্পানির মাধ্যমে।
এছাড়া ও আরেক দোকানী শাহীন ৬৫ হাজার, এ সমস্ত তথ্য মিথ্যা ভিত্তিহীন এবং বানোয়াট
২. সম্পত্তি দখল ও লুণ্ঠন: আমাকে ও আমার পরিবারকে জিম্মি করে আসামীরা আমার বাড়ি ও আমার বোনের নামে ০৩ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দলিল করে নেয়। শুধু তাই নয়, আমাদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ ২,৭০,০০০ টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান আসবাবপত্র লুণ্ঠন করে নিয়ে যায়
৩. রাজনৈতিক প্রভাব ও ভীতি প্রদর্শন: আসামী রাশেদুজ্জামান জুয়েল মন্ডল (সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও কাউন্সিলর) এবং তার সহযোগী লুৎফর রহমানরা বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এই জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছে। তাদের ভয়ে ও প্রাণ নাশের হুমকির কারনে আমি দীর্ঘকাল এলাকা ছাড়া ছিলাম এবং ৫ই আগস্টের পর পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় আমি আইনি লড়াই শুরু করতে যাচ্ছি
৪. মামলা সংক্রান্ত তথ্য: গত ১২/১০/২৪ তারিখে আমার স্ত্রী রিনা আক্তার ২৫ জনকে আসামি করে গাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করে, পরবর্তী তে থানা হতে কোন রকম আইনি সহযোগিতা না পেয়ে উক্ত ঘটনা ও নির্যাতনের বিষয়ে ইতিপূর্বেই জেলা প্রশাসক, গাজীপুর এবং জিএমপি কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে যার অভিযোগের কপি আমার কাছে প্রমান সূরুপ বিদ্যমান আছে এবং আদালতের আশ্রয় যাওয়ার জন্য অগ্রসর হচ্ছি । মূলত আমার দায়ের করা মামলা থেকে বাঁচতে এবং সমাজকে বিভ্রান্ত করতে মুলত রাশেদুজ্জামান জুয়েল মন্ডল, ও জুয়েল মন্ডল এর ম্যানেজার আইউব আলী, আমির হামজা রাশেদ, হাবিবুর এবং লুৎফর রহমান সহ ও সহযোগী চক্রটি ওই জোরপূর্বক নেওয়া চেক ব্যবহার করে এই মিথ্যা প্রতারণার নাটক সাজিয়েছে।
আমি লুৎফর রহমান,হাবিবুর, আমির হামজা রাশেদ কর্তৃক আনীত সকল মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানাই। প্রকাশিত সংবাদটি একপাক্ষিক এবং বস্তুনিষ্ঠ নয়। আমি আশা করি, সত্য এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আপনারা আমার এই প্রতিবাদটি গুরুত্বের সাথে প্রচার করবেন।
বিনীত,
মোঃ এরশাদ হোসেন
পিতা: মৃত হাফিজ উদ্দিন
গ্রাম- চান্দনা ৩৭ নং ওয়ার্ড, গাজীপুর মহানগর।
মোবাইল নং: ০১৭০৭১৫৬৬৬০