স্টাফ রিপোর্টাস মোঃ ইউসুফ :ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর পশ্চিমপাড়া(দিঘীরপাড়)বাড়িয়াডি এলাকায় ২৫/০৭/২০২৬ ইং রোজ শনিবার সময় বিকাল ৫:৩০ ঘটিকায় ৮২ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জমির দাবিদার ওয়াহিদুজ্জামান ও শামীম ভূইয়া দাবি করেন, উক্ত ৮২ শতাংশ জমি তাদের পূর্বপুরুষের নামে সি.এস. ও আর.এস. রেকর্ডভুক্ত। তাদের অভিযোগ, বর্তমানে জামাল ডাক্তার নামে এক ব্যক্তি জমিটি জবরদখল করে রেখেছেন।ওয়াহিদুজ্জামান ও শামীমের দাবি, জামাল ডাক্তারের পূর্বপুরুষরা একসময় ওই জমিতে বর্গাচাষ করতেন এবং এর সমর্থনে অঙ্গীকারনামা ও হ্যান্ডনোটসহ বিভিন্ন দলিল রয়েছে।স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কার্যালয়ে একটি শালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমি প্রকৃত দাবিদারদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয় বলে অভিযোগকারীরা জানান। তবে তাদের দাবি, জজ মিয়া(পিতা: চান্দে আলী) এবং সাইদুল মিয়া (পিতা: ছায়েদ আলী) শালিশের সিদ্ধান্ত মানতে আপত্তি জানান এবং জামাল ডাক্তারকে ভিন্ন পরামর্শ দিয়ে বিরোধ অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নিঅভিযোগকারীরা আরও বলেন পরবর্তীতে সরাইল থানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয় এবং জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কথা বলা হলেও জামাল ডাক্তার এতে সম্মত হননি।এদিকে অভিযোগ রয়েছে,থানা থেকে ফিরে জামাল ডাক্তার কয়েকজন ফেসবুকভিত্তিক সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে একটি ভিডিও ধারণ ও প্রচার করেন। ওই ভিডিওতে ওয়াহিদুজ্জামান ও শামীমের বিরুদ্ধে ৬ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করা হয়।তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়াহিদুজ্জামান ও শামীম বলেন, “নিজেদের জমির জন্য আমরা কেন চাঁদা চাইব? এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা এর বিচার চাই প্রশাসন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের কাছে।এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. দাধন মিয়া, বিল্লাল, কেমা মিয়া, সালাম মিয়া এবং আব্দুল হামিদ দাবি করেন, তাদের জানামতে ওয়াহিদুজ্জামান ও শামীম সৎ মানুষ এবং তারা কারও কাছে চাঁদা দাবি করেছেন বলে তারা জানেন না।অন্যদিকে, জামাল ডাক্তার, জজ মিয়া ও সাইদুল মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।এ ঘটনায় এলাকাবাসী দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে বিরোধের সুষ্ঠু ও স্থায়ী সমাধান কামনা করেছেন।