
মোঃ সোহেল রানা স্টাফ রিপোর্টার সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ)
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার নলকা ইউনিয়নের নলকা কায়েম গ্রামের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত পুরাতন সড়ক পাকাকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বৃহত্তর পাবনা ও বগুড়া জেলার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-২-এর আওতায় বাস্তবায়নাধীন এ উন্নয়নকাজের মাধ্যমে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গ্রামীণ জনগণের যাতায়াত সহজ হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
শনিবার দুপুরে নলকা কায়েম গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নলকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হক। তিনি বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন ছাড়া একটি এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। উন্নত সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচল আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। তিনি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এবং কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ শামসুল ইসলাম সরকার, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আলীম শেখ, সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ সরকার, দপ্তর সম্পাদক ওবায়দুল হক সুমন, নলকা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এনামুল হক মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জুব্বার মেম্বার।
এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে এলজিইডির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নলকা কায়েম গ্রামের পুরাতন সড়ক পাকাকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হক। পরে তিনি নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ও গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি বেহাল অবস্থায় থাকায় বর্ষা মৌসুমে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। সড়কটি পাকাকরণ সম্পন্ন হলে এলাকার হাজারো মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি কৃষি, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।