
সাভারে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মশালায়, প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
সিনিঃ স্টাফ রিপোর্টার ; আব্দুল্লাহ আল মামুন (টিপু)
নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ (১৫ই আগস্ট) শনিবার সকাল ১১ টায় সাভার জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের হলরুমে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানটিতে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ও উপজেলার যুব উন্নয়নের প্রশিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী প্রশিক্ষক গণের মতামত শুনেন। এবং কোন কোন জেলাতে যুব উন্নয়নের কারিগরি প্রশিক্ষণ বা কি কারনে প্রশিক্ষণ ব্যাহত হচ্ছে সে বিষয়গুলো প্রশ্ন আকারে শুনেন। এবং প্রতিমন্ত্রী প্রশ্নের জবাব দেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন। আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে যুব উন্নয়নকে আরো প্রসারিত করা এবং অদূর ভবিষ্যতে যুবকদেরকে ট্রেনিং এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়া।
যুব উন্নয়নের কর্মশালার মাধ্যম দিয়ে আমরা সারা বাংলাদেশের প্রত্যেক উপজেলায় সুদূর প্রসারিত কর্মসংস্থানের বিপ্লব ঘটাব। আগামীতে চার মাস অন্তর অন্তর আমরা এই কর্মশালার আয়োজন করব এতে করে আমাদের সকল প্রশিক্ষক দের যদি কোন প্রশিক্ষণের দরকার হয় সে বিষয়েও আমরা কাজ করব।
আমরা চাই যুব উন্নয়নের কর্মসংস্থানের মধ্য দিয়ে আগামী পাঁচ বছরে হাজার হাজার যুবক ও যুবতীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার বা অন্যান্য প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তাদেরকে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা করব।
যুব উন্নয়নের বিভিন্ন প্রকার ঋণ প্রদান করা হয় আমরা চাই বাংলাদেশের প্রত্যেকটা নাগরিক যুব উন্নয়নের ঋণ গ্রহণ করে হাঁস-মুরগির খামার গরু ছাগলের খামার বা অন্যান্য খাদে ঋণ কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হোক। তিনি আরো বলেন বর্তমান কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ব্যাপক প্রসার ঘটেছে আমরা চাই কনটেন্ট ক্রিকেটারদের আরো প্রশিক্ষণ দ্বারা উন্নতি ঘটাতে।
তিনি আরো বলেন বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান ক্রীড়া অনুরাগী তিনি খেলাধুলাকে অত্যন্ত প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আমরা প্রত্যেকটা উপজেলা ভিত্তিক খেলোয়াড় বের করে আনার চেষ্টা করব খেলাধুলাতে মানসিক বিকাশ ঘটে এবং খেলাধুলা করলে মাদক থেকে বিরত থাকা যায়। আমরা আমাদের সবার জায়গা থেকে চেষ্টা করব যুব উন্নয়নের মধ্য দিয়ে মানুষের সঠিক পথ অবলম্বন করানোর। এবং আমরা যারা সরকারি চাকরি করে থাকি আমরা যেন সঠিক টাইমে অফিসে আছি এবং সঠিক টাইমে অফিস ত্যাগ করি। এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন আমরা সে জিরো টলারেন্স কে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করব।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মাহবুব উল আলম, সচিব যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মোঃ মোতাহার হোসেন, মহাপরিচালক যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর।