1. admin@ekusheynews.com : admin :
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক কামাল সরকারের মুক্তি ও সহকর্মীদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে নরসিংদীতে মানববন্ধন মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে আনসার ব্যাটালিয়নে মোঃ নাফিসের গৌরবময় মনোনয়ন সাভারের পাথালিয়া ইউনিয়নে বিএনপির ৪৮, তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা গাজীপুরে ব্রিফকেসে নারীর মরদেহ: হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ প্রেমের সম্পর্কের বিরোধে হত্যা, মরদেহ গুমে বন্ধুর সহযোগিতা; বটি দা, NID ও মোবাইল উদ্ধার টেকনাফে ছেলের ছুরিকাঘাতে পিতার মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে প্রযুক্তি সেবার নতুন ঠিকানা ‘ইউনিক আইটি’-এর যাত্রা শুরু মতলব উত্তরে ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক। খুনেরবাসা খালে নৌ চলাচল বন্ধ করে নিচু সেতু নির্মাণের অভিযোগ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে।

গাজীপুরে ব্রিফকেসে নারীর মরদেহ: হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ প্রেমের সম্পর্কের বিরোধে হত্যা, মরদেহ গুমে বন্ধুর সহযোগিতা; বটি দা, NID ও মোবাইল উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার,গাজীপুর
গাজীপুরের জয়দেবপুরে খালের পানিতে ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় পাওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো.মিশন ইসলাম (২২),মিজানুর রহমান ওরফে মিল্টন (২৪) এবং বানু আক্তার (৪৩)। নিহত নারীর নাম ডলি আক্তার (৩০)। তিনি গাজীপুর মহানগরের জয়দেবপুরের বানিয়ারচালা মেম্বারবাড়ী এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় একা থাকতেন।
পিবিআই সূত্রে জানা যায়,গত ১১ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে একটি খালের পানিতে ব্রিফকেস ও প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় ডলি আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে তদন্তের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে পিবিআই।
পিবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে,ডলি আক্তারের সঙ্গে মিশন ইসলামের প্রায় পাঁচ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে ডলি মিশনের বাসায় গেলে বিয়ে ও পূর্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। একপর্যায়ে মিশন ডলি আক্তারকে হত্যা করেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মিশন একটি স্যুটকেস সংগ্রহ করেন। পরে মরদেহটি স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে বন্ধু মিজানুর রহমান ওরফে মিল্টনের সহযোগিতায় অটোরিকশাযোগে ভবানীপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে খালের পানিতে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয় বলে পিবিআই জানিয়েছে।
ঘটনার পর তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ১২ সেপ্টেম্বর মিজানুর রহমান ওরফে মিল্টন, মিশন ইসলাম ও মিশনের মা বানু আক্তারকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
পিবিআই জানায়, মিশনের বাসায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বটি দা, স্কচটেপের অবশিষ্টাংশ, নিহত ডলি আক্তারের জাতীয় পরিচয়পত্র (NID), মোবাইল ফোন ও এক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মো. মিশন ইসলাম (২২) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতা মাসকুর আলম ও মাতা বানু আক্তার।
গ্রেপ্তার বানু আক্তার (৪৩) মিশন ইসলামের মা। তাঁর পিতা ছালাম মিয়া ও মাতা লাইলী বেগম।
অপর আসামি মিজানুর রহমান ওরফে মিল্টন (২৪) গাইবান্ধার গাদীগঞ্জ থানার বুড়াবাড়ি, শালমারা এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতা তাফাজ্জল হোসেন ও মাতা মহরন বেগম।
পিবিআই জানায়, গ্রেপ্তার তিনজনই বর্তমানে গাজীপুর মহানগরের বাহাদুরপুর তুলসী ভিটা, সাগর মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
এ ঘটনায় নিহত ডলি আক্তারের বড় ভাই সোহেল বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় হত্যা ও মরদেহ গোপনের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলাটি বর্তমানে পিবিআই গাজীপুর তদন্ত করছে।
পিবিআই বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই)কমিশনার মোঃ রকিবুল আক্তার বিপি জানান, তদন্তের স্বার্থে এ ঘটনায় সংগৃহীত আলামত, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। তবে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © একুশে নিউজ ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park