
আভিজাত্য ও সম্পত্তি হারিয়ে চরম হতাশায় এরশাদের পরিবার: হত্যাচেষ্টা, জালিয়াতি ও মিথ্যা মামলায় দিশেহারা পুরো জীবন
নিজস্ব সংবাদদাতা
মোঃ রেজাউল করিম
জোরপূর্বক বসতভিটা ও জমিজমা দখল, অস্ত্রের মুখে চেকবই ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া, আর পরিশেষে মিথ্যা মামলার জালে জড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনে চরম মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে মো: এরশাদ হোসেন ও তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের অত্যাচার, প্রশাসনিক বিচারহীনতা এবং আর্থিক সংকটে দিশেহারা হয়ে পরিবারটি এখন চূড়ান্ত হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
ভুক্তভোগী এরশাদ হোসেনের অভিযোগ, ছাত্র হত্যা, ভুমি দখল, অস্ত্র সহ সাবেক আওয়ামীলীগের একাদিক মামলার আসামী জুয়েল মন্ডল, ও তার আপন ভাই আসাদুজ্জামান আসাদ এবং জুয়েল মন্ডলের স্ত্রী ফারহানা চৌধুরী বৃষ্টির প্রত্যক্ষ নির্দেশে তাদের ওপর এই চরম অত্যাচার চালানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তাদের সহযোগিতায় আওয়ামী যুবলীগ নেতা আইউব আলী, হাবিবুর রহমান এবং আমির হামজা রাশেদ সহ আরো অজ্ঞাত ৮/৯ জন অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এরশাদ হোসেনের বসতভিটা, জমিজমা এবং তাঁর বোনের সম্পত্তি লিখে নেয়। শুধু তাই নয়, ঘরের সব দলিলপত্র, একাডেমিক সনদ, খালি স্ট্যাম্প স্বাক্ষর করানো স্ট্যাম্প এবং একটি সম্পূর্ণ স্বাক্ষর করা চেকবই লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়।
পরবর্তীতে ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিচার পাওয়ার আশায় এরশাদ হোসেনের স্ত্রী রিনা আক্তার স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ রয়েছে, রিনা আক্তার অভিযোগ দায়ের করার পরে অপরাধী চক্রটি তৎকালীন পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সমঝোতার নাটক সাজিয়ে সময় ক্ষেপণ করতে থাকে এবং একপর্যায়ে উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকেই কোর্টে যাওয়ার হুমকি দেয়।
দীর্ঘদিন পর অনলাইনে খোঁজ নিয়ে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, অস্ত্রের মুখে ছিনিয়ে নেওয়া সেই স্বাক্ষর করা চেকবই দিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে একাধিক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে একের পর এক মামলার হাজিরা, আইনজীবীর খরচ এবং পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে গিয়ে এরশাদ হোসেন সম্পূর্ণ নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ও একদিকে প্রাণনাশের হুমকি, অন্যদিকে আদালতের খরচের চাপে পুরো পরিবারটি চরম মানসিক ও মানবিক সংকটের সম্মুখীন।
বিচারপ্রার্থী এরশাদ হোসেন এবং তাঁর পরিবার এই জালিয়াতি ও নির্যাতনের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি, জবরদখল হওয়া বসতভিটা ও ছিনতাই হওয়া সকল নথিপত্র উদ্ধার এবং পরিবার নিয়ে স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য
মাননীয় রাষ্ট্রপতি মহোদয় এবং বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহোদয় এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় ও আইনমন্ত্রী মহোদয়
এবং মনজুরুল করিম রনি এমপি সাহেব, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আপনাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি।