
মোঃ রাজিবুল হাসান, নিজস্ব প্রতিবেদক:
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার ৯ নম্বর চাঁদখালী ইউনিয়নের ধামরাইল হাই স্কুল মাঠে এমআরপি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই মানবিক উদ্যোগে এলাকার শতাধিক মানুষ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন।
চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন একুশে নিউজের খুলনা বিভাগীয় সম্পাদক ডা. মো. নাজমুল আহসান। চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন ডা. খন্দকার শারমিন আহমেদ পিয়া (এমবিবিএস, পিজিটি-চক্ষুরোগ), সাবেক মেডিকেল অফিসার, ইস্পাহানি ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল, বাংলাদেশ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর, পিয়া আই কেয়ার সেন্টার, যশোর। তিনি শিশু চক্ষু রোগ ও নেত্রনালীজনিত সমস্যার বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুপরিচিত।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবু তাহের (এডি, র্যাব হেডকোয়ার্টার), সুমাইয়া খাতুন (মেডিসিন ইনচার্জ), সোনিয়া আক্তার (মেডিসিন অ্যাসিস্ট্যান্ট), পলাশ (মেডিসিন অ্যাসিস্ট্যান্ট), লামিয়া (অপারেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট), সাজ্জাদ হোসেন (অপারেশন অ্যাসিস্ট্যান্ট) এবং সুমন (ড্রাইভার)।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন তরুণ প্রজন্মের রাজপথের আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক ও চাঁদখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী জি.এম. শাকিল হাফিজ (সম্রাট)। তিনি বর্তমানে পাইকগাছা উপজেলার এনসিপির সংগঠক এবং পাইকগাছা উপজেলা ইনসাফ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এ আয়োজনের সৌজন্যে ছিলেন এমআরপি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম জয়। সিরিয়াল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করেন মো. রাজিবুল হাসান। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করেন মো. আবদুর রহমান।
ক্যাম্পে চাঁদখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য রোগী চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী যেসব রোগীর চোখের অপারেশন প্রয়োজন, তাদের পরবর্তী চিকিৎসার জন্য যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়ায় অবস্থিত পিয়া আই কেয়ার সেন্টারে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এছাড়া যেসব রোগীর চশমা ও ওষুধের প্রয়োজন ছিল, তাদের স্বল্পমূল্যে চশমা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এমন মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় বিশেষায়িত চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে এলাকাবাসী অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। মানবিক সেবার এই আয়োজনের মাধ্যমে এমআরপি ফাউন্ডেশন আবারও সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।