
মোঃ শাহাদাত হোসাইন,নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাইকগাছায় সাহিত্য ও সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদ তাদের রজত জয়ন্তী ও ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করে আলোচনা সভা,কবিতা উৎসব ও গুণীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান।
শনিবার(৭ফেব্রুয়ারি)সকাল ১১টায় উপজেলার নতুন বাজার চত্বরে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাহিত্যের বিভিন্ন শাখা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদান রাখা গুণী ব্যক্তিদের সম্মাননা স্মারক,পদক ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ,সাহিত্যিক,সাংস্কৃতিক গবেষক ও জীবন জাগরণী সংগীত শিল্পী প্রফেসর ড.সন্দীপক মল্লিক।তিনি বলেন,“সমাজে সৃজনশীল মানুষ গড়ে তুলতে সাহিত্য সংগঠনগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে সেই দায়িত্ব নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করে আসছে।গুণীজনদের সম্মাননার মাধ্যমে সংগঠনটি সমাজে ইতিবাচক আলোর বিচ্ছুরণ ঘটাচ্ছে।”
সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি,সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি,মোংলা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক,লেখক ও কবি মনিরুল ইসলাম সিদ্দিকী, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা উদয় কুমার মণ্ডল এবং প্রভাষক এস.রোহাতাব উদ্দিন আহম্মেদ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কবি মাধুরী রাণী সাধু-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন—শেখ আজগর আলী, লিনজা আক্তার মিথিলা,রাবেয়া আক্তার মলি,সুকনাথ পাল,সুইটি আক্তার,মোহানা আক্তার রিনি,মিম আক্তার, জান্নাতি খাতুন,মিতু সেন,সমাইয়া প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনজন গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য প্রভাষক এস.রোহাতাব উদ্দিন আহম্মেদ-কে প্রদান করা হয় সপ্তদ্বীপা সম্মাননা স্মারক।
কর্মদক্ষতা ও সাফল্যের জন্য কৃষিবিদ নাহিদুল ইসলাম-কে এবং
সমাজসেবায় অবদানের জন্য সুকনাথ পাল-কে প্রদান করা হয় হৈম–নরেন্দ্র স্মৃতি পদক।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে অনুষ্ঠিত হয় কবিতা উৎসব।এতে কবিতা পাঠ ও সংগীত পরিবেশন করেন ড.সন্দীপক মল্লিক,মাধুরী রাণী সাধু,রাবেয়া আক্তার মলি,তুর্য সাধু, মিতু সেন,মিমিসহ অন্যান্য কবি ও শিল্পীরা।
রজত জয়ন্তীর এই আয়োজন পাইকগাছার সাহিত্যাঙ্গনে নতুন প্রেরণা ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলে মত প্রকাশ করেন উপস্থিত কবি,সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিমনা দর্শকরা।