1. admin@ekusheynews.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি হিসাবে জিয়াউল হাসান সৌরভ 134/26 S R B পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিরসনের আশ্বাস 87/26 F J B ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাট করল জিএমপি পুলিশ, স্বস্তিতে পথচারী ও চালক নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নানা অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল চাঁনপুর ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও RAB-এর সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার সানজানা গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী চুন্টা বাজারে ৬ মাস ধরে বিকল টিউবওয়েল: ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা, জরুরি মেরামতের আকুল আবেদন নরসিংদীতে এসএসসিতে আবারও দেশসেরা নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।

রাঙামাটিতে ওএমএস পণ্য বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, কর্মকর্তা–ডিলার যোগসাজশের দাবি

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৪ বার পঠিত

মোঃ সোহেল রানা, স্টাফ রিপোর্টার
রাঙামাটি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের অধীনে পরিচালিত ওএমএস (Open Market Sale) কার্যক্রমে চাল ও আটা বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও একাধিক ডিলারের যোগসাজশে সরকারি খাদ্যশস্য আত্মসাতের অভিযোগও সামনে এসেছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রতিটি ডিলার পয়েন্টে প্রতিদিন ১ টন (২০ বস্তা) চাল ও ১ টন (২০ বস্তা) আটা বিতরণের কথা থাকলেও বাস্তবে নির্ধারিত পরিমাণ পণ্য ভোক্তাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে না। সকাল ০৯ঘটিকা থেকে বিকাল ০৫ঘটিকা পর্যন্ত ডিলার পয়েন্ট খোলা রাখার নিয়ম থাকলেও সকাল ১১/১২ ঘটিকার মধ্যে ডিলার পয়েন্ট এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিদিনের বিতরণ তালিকায় ভোক্তাদের নাম, স্বাক্ষর বা টিপসই রেজিস্টার খাতায় সংরক্ষিত থাকার কথা। কিন্তু সরেজমিনে কয়েকটি ডিলার পয়েন্টে গিয়ে রেজিস্টার খাতা দেখতে চাইলে ডিলাররা তা দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তাদের দাবি, খাদ্য অফিসের অনুমতি ছাড়া রেজিস্টার প্রদর্শন করা যাবে না। তারা আরও জানান, ফুড অফিসারের স্বাক্ষরের মাধ্যমেই পণ্য বিতরণ কার্যক্রম শুরু ও সমাপ্ত হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কিছু ডিলার দোকান রাস্তার পাশে স্থাপনের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়নি। খোলা জায়গায় খাদ্য বিতরনের কথা থাকলেও কোথাও কোথাও এমন স্থানে পণ্য বিতরণ করা হচ্ছে যেখানে ভোক্তাদের দাঁড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।
রাঙামাটি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ১২টি ডিলার পয়েন্টের মাধ্যমে পরিচালিত এ কার্যক্রমে পরিকল্পিতভাবে সরকারি সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানকালে রেজিস্টার খাতা প্রদর্শনে অনীহা এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অসহযোগিতামূলক আচরণ স্বচ্ছতার পরিপন্থী বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, একই ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন জাতীয় পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) ব্যবহার করে একাধিকবার চাল ও আটা ক্রয় করছেন। ফলে নির্ধারিত পরিমাণ পণ্য দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং প্রকৃত উপকারভোগীরা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।
বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিস্তারিত তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। ফলে কর্মকর্তা ও ডিলারদের মধ্যে যোগসাজশের অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।
এ ধরনের অনিয়ম ওএমএস কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের ন্যায্য খাদ্য প্রাপ্তির অধিকার ক্ষুণ্ন করছে। জনগণের স্বার্থে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়া হলে জনমনে ক্ষোভ ও অবিশ্বাস আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © একুশে নিউজ ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park