1. admin@ekusheynews.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি হিসাবে জিয়াউল হাসান সৌরভ 134/26 S R B পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিরসনের আশ্বাস 87/26 F J B ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাট করল জিএমপি পুলিশ, স্বস্তিতে পথচারী ও চালক নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নানা অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল চাঁনপুর ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও RAB-এর সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার সানজানা গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী চুন্টা বাজারে ৬ মাস ধরে বিকল টিউবওয়েল: ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা, জরুরি মেরামতের আকুল আবেদন নরসিংদীতে এসএসসিতে আবারও দেশসেরা নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।

রুপসা টেম্পুস্ট্যান্ডে আলুপুরির সফলতা প্রতিদিন ২০-২৫ হাজার টাকার বিক্রি, পরিশ্রমে কোটিপতি সুমন

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৬৭ বার পঠিত

পথিক কবি, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
একসময় অর্ধাহারে দিন কাটানো সেই শিক্ষিত বেকার যুবক আজ এলাকার সফল উদ্যোক্তা। খুলনার রুপসা টেম্পুস্ট্যান্ডে ছোট্ট টিনের চালার ঘরে শুরু হওয়া “সুমনের আলুপুরির দোকান” এখন স্থানীয়দের কাছে এক পরিচিত নাম। প্রতিদিন প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বিক্রি হওয়া এই দোকানের মালিক সুমন আজ পরিশ্রম আর সততার জোরে কোটিপতি।
২০০৮ সালে ছোট পরিসরে ব্যবসাটি শুরু করেন সুমন। তবে তারও আগে প্রায় পাঁচ বছর ধরে বাড়িতে তৈরি আলুপুরি ঝাকায় করে মানুষের দরজায় দরজায় হেঁটে বিক্রি করতেন তিনি। নিজের হাতে তৈরি পুরি, সঙ্গে তেঁতুলের বিশেষ সস ও পেঁয়াজের পরিবেশন—এই স্বাদ অল্প সময়েই মানুষের মন জয় করে নেয়।
বর্তমানে দোকানটিতে ১০ থেকে ১১ জন কর্মচারী কাজ করছেন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লেগেই থাকে। অনেককে লাইনে দাঁড়িয়ে পুরি কিনতে দেখা যায়। স্থানীয়দের মতে, স্বাদ ও ব্যবহার—দুই দিক থেকেই সুমনের দোকান আলাদা পরিচিতি পেয়েছে।
সুমনের জীবনের গল্পটিও বেশ সংগ্রামের। বি.এ. পাস করার পরও চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। এরই মধ্যে হারান রিকশাচালক বাবাকে। একমাত্র মাকে নিয়ে কঠিন দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটালেও তিনি হাল ছাড়েননি। ছোট এই ব্যবসাকেই আঁকড়ে ধরে এগিয়ে যেতে থাকেন।
দীর্ঘ ২৩ বছরের কঠোর পরিশ্রম আজ তাকে এনে দিয়েছে স্বচ্ছলতা ও সম্মান। ফয়লা বাজারের পাশে গড়ে তুলেছেন দৃষ্টিনন্দন দুইতলা বাড়ি, ঘাট বাঁধানো পুকুরসহ আরও নানা সম্পদ। তবে সাফল্যের পরও নিজের শেকড় ভুলে যাননি সুমন।
এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সুমন বলেন,
“আমার ঘাম ঝরানো এই ব্যবসাই আমাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে। আমি সারাজীবন এই ব্যবসার সঙ্গেই থাকতে চাই। সুযোগ পেলে আরও বড় পরিসরে ব্যবসা সম্প্রসারণ করবো।”
স্থানীয়দের কাছে সুমন এখন শুধু একজন সফল ব্যবসায়ী নন, বরং তরুণ সমাজের জন্য এক অনুপ্রেরণা ও সংগ্রামী জীবনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © একুশে নিউজ ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park