1. admin@ekusheynews.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি হিসাবে জিয়াউল হাসান সৌরভ 134/26 S R B পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিরসনের আশ্বাস 87/26 F J B ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাট করল জিএমপি পুলিশ, স্বস্তিতে পথচারী ও চালক নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নানা অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল চাঁনপুর ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও RAB-এর সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার সানজানা গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী চুন্টা বাজারে ৬ মাস ধরে বিকল টিউবওয়েল: ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা, জরুরি মেরামতের আকুল আবেদন নরসিংদীতে এসএসসিতে আবারও দেশসেরা নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।

টানা বর্ষণে চকরিয়া-মাতামুহুরীতে ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত

মোঃ আব্দুল করিম প্রতিনিধি একুশে পত্রিক

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় মুহূর্তে মুহূর্তে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং পাহাড়ধসের ঝুঁকিও আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে।
চকরিয়া উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী ইউনিয়ন এবং চকরিয়া পৌরসভার নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজারো মানুষ। বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।
অন্যদিকে মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকায় মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে বানের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।
বন্যার পাশাপাশি টানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ধসের ঘটনাও ঘটছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দিবাগত রাতে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড়ধসে একটি বসতঘর চাপা পড়ে দুই ভাই-বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। একই সময়ে চকরিয়ার পার্শ্ববর্তী আজিজনগর এলাকায় পৃথক পাহাড়ধসে শিশুসহ আরও পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ঘরবাড়ি ছেড়ে উঁচু স্থানে সরে যেতে শুরু করেছে।
চকরিয়া উপজেলা ও মাতামুহুরী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার বলেন, “টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে। সবাইকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান, বিশেষ করে পাহাড়ের পাদদেশ ও নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে কাজ করছেন। আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © একুশে নিউজ ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park