1. admin@ekusheynews.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি হিসাবে জিয়াউল হাসান সৌরভ 134/26 S R B পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ জনবল সংকট, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা নিরসনের আশ্বাস 87/26 F J B ভোগড়া বাইপাসে সড়কের গর্ত ভরাট করল জিএমপি পুলিশ, স্বস্তিতে পথচারী ও চালক নাজমুল হোসেনকে ঘিরে নানা অভিযোগ: নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি নরসিংদীর রায়পুরা থানাধীন মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল চাঁনপুর ইউনিয়নে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট ও RAB-এর সমন্বয়ে বিশেষ অভিযানে অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধারসহ ৩জন গ্রেফতার সানজানা গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে ঐতিহ্যবাহী চুন্টা বাজারে ৬ মাস ধরে বিকল টিউবওয়েল: ভোগান্তিতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা, জরুরি মেরামতের আকুল আবেদন নরসিংদীতে এসএসসিতে আবারও দেশসেরা নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমস।

মৌখালী বদ্ধ জলমহাল পরিদর্শনে এসিল্যান্ড: নদী দখল, বাঁধ নির্মাণ ও পানি প্রবাহে বাধার অভিযোগ তদন্ত

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫৯ বার পঠিত

মোঃ শাহাদাত হোসাইন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার আলোচিত মৌখালী (বদ্ধ) জলমহালের বাঁধ অপসারণ এবং স্বাভাবিক পানি প্রবাহে ব্যাঘাত সৃষ্টির অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন করেছেন পাইকগাছার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বি।
শুক্রবার বিকেলে তিনি ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য শোনেন। এ সময় মৌখালী জলমহালের খাস ইজারাদার হাফিজুর রহমান মোল্লা এবং কৃষক মাহাফুজুর রহমান অভিযোগ করেন, প্রভাবশালী একটি মহল খাস বন্দোবস্তের নামে নদীর অংশ দখল করে বাঁধ নির্মাণ, মাছ চাষ এবং ঘরবাড়ি নির্মাণের মাধ্যমে নদীর শ্রেণি পরিবর্তন করেছে।
তাদের দাবি, এর ফলে পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার একাধিক মৌজায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কৃষিজমির ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকার রাস্তাঘাটও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ গড়ের আবাদ এলাকার খাল ইজারাদার হাফিজুর রহমান মোল্লা বাদী হয়ে স্থানীয় জেনারুল মাস্টার, জয়নাল গাজী, কিনু গাজী, আব্দুল মজিদ সানা, হযরত আলী, মুজিবুর রহমান, ইসলাম সানা, বাবুল সানা, খালেক সানাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অন্যদিকে খাস বন্দোবস্তপ্রাপ্তদের পক্ষে বাবুল সানা জানান, এসএ ম্যাপ অনুযায়ী নদীটি পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সীমান্তজুড়ে অবস্থিত। তিনি দাবি করেন, ১৯৮০-এর দশকে তারা বৈধভাবে খাস বন্দোবস্ত গ্রহণ করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন। এছাড়া পাইকগাছা সীমান্ত বরাবর পানি চলাচলের সুবিধার্থে ২৫ ফুট প্রশস্ত খাল রেখে দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।
তদন্ত শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ফজলে রাব্বি বলেন, “নদী বাঁচলে আমরা সবাই ভালো থাকব। মৌজা ম্যাপ, বন্দোবস্তের দলিল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা করে নদীটিকে আগের অবস্থায় কীভাবে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © একুশে নিউজ ২০২৫
Theme Customized By Shakil IT Park