
মোঃ শাহাদৎ হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার
কুষ্টিয়ার কুমারখালী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। পরে জেলা প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়।
সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টা থেকে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় স্টেশন চত্বরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীরা খুলনা-ঢাকা রুটে চলাচলকারী বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের কুমারখালী স্টেশনে স্টপেজ চালুর দাবি জানান।
কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিল আহমেদ তিয়াস, জামায়াতে ইসলামী কুমারখালী উপজেলা শাখার নায়েবে আমির শামসুদ্দিন আহমাদ, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম জিলাল এবং কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার লিপু আমিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রায় এক ঘণ্টা চলা কর্মসূচির পর কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে আগামী ২৭ জুনের মধ্যে অন্তত একটি আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালুর আশ্বাস দেন।
এরপর আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন শাকিল আহমেদ তিয়াস। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
শামসুদ্দিন আহমাদ বলেন, কুমারখালী স্টেশনে বেনাপোল এক্সপ্রেস ও সুন্দরবন এক্সপ্রেস—দুইটি ট্রেনেরই যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরও তীব্র হবে।